জাতীয়

ধনবাড়ী-মধুপুরে সব উন্নয়নকাজ হবে পর্যায়ক্রমে: মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম

Copied
ধনবাড়ী-মধুপুরে সব উন্নয়নকাজ হবে পর্যায়ক্রমে: মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম

ধনবাড়ী-মধুপুরে উন্নয়নের আশ্বাস, অনিয়ম-দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স: মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। ছবি কক্সবাজার কণ্ঠ।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, ধনবাড়ী-মধুপুরের রাস্তা, সেতু, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব উন্নয়নকাজ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। উন্নয়নে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান তিনি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) ধনবাড়ী উপজেলার যদুনাথপুরে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ধনবাড়ী-মধুপুরের জনগণের ভোট ও আস্থার কারণেই তিনি সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছেন। জনগণের এই আস্থার প্রতিদান উন্নয়নের মাধ্যমে দিতে চান বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই উন্নয়নকাজ শুরু করেছে। পর্যায়ক্রমে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ঠিকাদারদের সর্বোচ্চ মান বজায় রাখতে হবে। জনগণের অর্থে নির্মিত কোনো প্রকল্পে নিম্নমানের কাজ বা অনিয়ম গ্রহণযোগ্য নয়। কোথাও অনিয়ম দেখা গেলে স্থানীয় জনগণকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তা জানাতে তিনি আহ্বান জানান।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, ধনবাড়ী ও মধুপুরে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদক ও জুয়ার স্থান হবে না। অপরাধ দমনে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এমন একটি সমাজ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে নারী, শিশু ও সাধারণ মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবেন এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করবেন। নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এজন্য জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এর আগে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মন্ত্রী নিজ নির্বাচনী এলাকার ধনবাড়ী নবাব ঈদগাহ ও খেলার মাঠের মাটিভরাট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতা, সুধীজন এবং বিপুলসংখ্যক স্থানীয় জনগণ উপস্থিত ছিলেন।