বান্দরবানে প্রস্তাবিত মারকাজ মসজিদের স্থান পরিদর্শনে পার্বত্যমন্ত্রী
বান্দরবান জেলা শহরের বালাঘাটায় তাবলিগি মারকাজ মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী। এ সময় তিনি স্থানীয় মারকাজ মসজিদ ও তাবলিগ জামাতের মুরুব্বিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি আসন্ন বান্দরবান জেলা ইজতেমা আয়োজনের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ৫ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনকালে মন্ত্রী মারকাজ মসজিদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় বান্দরবানের ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
আগামী ২৯ ও ৩০ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য বান্দরবান জেলা ইজতেমা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে মন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ৫ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেন। তাঁর এ ঘোষণায় স্থানীয় মুসল্লি ও তাবলিগ জামাতের মুরুব্বিদের মধ্যে আনন্দ ও সন্তোষ দেখা যায়।
পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। ধর্ম, বর্ণ, জাতি বা গোত্রনির্বিশেষে এ অঞ্চলের প্রতিটি নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার যে প্রচেষ্টা চলছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সব নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত রেখে পাহাড়ে ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখার প্রচেষ্টার জন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশের মধ্য দিয়েই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে।”
এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মারকাজ মসজিদের উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং আসন্ন জেলা ইজতেমা সফলভাবে আয়োজনের জন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। স্থানীয় মারকাজের মুরুব্বিরা মন্ত্রীর এ পরিদর্শন ও অনুদানের ঘোষণাকে বান্দরবানের ধর্মীয় ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।
পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তাবলিগ জামাতের জেলা আমির ওসমান গনি, বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য আবদুল মাবুদ, ইজতেমার জমিদাতা কামাল মেম্বার, জেলা বিএনপি নেতা মুছা সওদাগর, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ হাকিম চৌধুরী, মারকাজ মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।