মহেশখালীর ঠাকুরতলায় পুলিশের অভিযানে ৮ অস্ত্রসহ আটক ২
মহেশখালী উপজেলার ছোটমহেশখালী ইউনিয়নের ঠাকুরতলা চৌরাস্তার মোড়ে পুলিশের অভিযানে আটটি দেশীয় অস্ত্রসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (৩০ আগষ্ট) দুপুরে মহেশখালী থানা মাঠে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট মো. অহিদুর রহমান পিপিএম এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুস সুলতান এবং ওসি (তদন্ত) প্রতুল কুমার শীলের নেতৃত্বে পুলিশ গত শনিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে ছোটমহেশখালীর ঠাকুরতলা চৌরাস্তার মোড়ে চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে একটি ট্রাভেল ব্যাগ থেকে আটটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। অস্ত্র বহনের অভিযোগে সিএনজিতে থাকা দুইজনকে আটক করে পুলিশ।
আটকরা হলেন—চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কুসুমপুর এলাকার হরিনখাইন দীঘিরপাড়ের মোতাহের হোসেনের ছেলে মো. রুবেল মিয়া এবং মহেশখালী উপজেলার ছোটমহেশখালী ইউনিয়নের ঠাকুরতলা এলাকার মৃত মনিন্দ্র দে’র ছেলে মানিক দে।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে দুটি দেশীয় তৈরি রাইফেল, পাঁচটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক এবং একটি এলজি। মোট আটটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুস সুলতান জানান, গত ২১ আগস্ট উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের মিঠাছড়ি এলাকার গহিন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জামসহ একজনকে আটক করা হয়েছিল। এরপর থেকে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধ দমনে মহেশখালীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশের তৎপরতা জোরদার করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় ঠাকুরতলা চৌরাস্তার মোড়ে চেকপোস্ট পরিচালনা করে আটটি অস্ত্রসহ দুইজনকে আটক করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।
ওসি আরও বলেন, অস্ত্র চালানের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটক করতে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করছিল। পুলিশের তৎপরতা বুঝতে পেরে অপরাধীরা দীর্ঘদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তারা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।
মহেশখালীতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ওসি মো. আব্দুস সুলতান। পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্রের বিষয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সচেতন মহলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।